বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
পীরগঞ্জে জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত রানীশংকৈলে খাসজমি বণ্টনের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান ধর্ষণবিরোধী আন্দোলনের নেতা ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার পঞ্চগড়ে ধর্ষণ মামলায় সাক্ষী হওয়ায় চাকরি হারালেন মসজিদের খতিব ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা রফিকুল ইসলামের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এর সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি-২০২০ ঠাকুরগাঁও শহর আলোকিত হলো পীরগঞ্জ থেকে ‘অপহৃত’ স্কুলছাত্রী উদ্ধার, তরুণ গ্রেপ্তার পীরগঞ্জে জোড়াতালির কাজ রং করতেই আড়াই লাখ শেষ এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের! ঠাকুরগাঁওয়ে ৪৫ পিচ ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১
ঠাকুরগাঁওয়ে ওসির বিরুদ্ধে মহিলা পুলিশের ধর্ষণ মামলা

ঠাকুরগাঁওয়ে ওসির বিরুদ্ধে মহিলা পুলিশের ধর্ষণ মামলা

উওরের কন্ঠ ডেস্কঃ সারাদেশ যখন ধর্ষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে উত্তাল এমনই মুুহুর্তে পুলিশের এক ওসির বিরুদ্ধে নারী পুলিশকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে ওসি আবু নাসের রায়হানের বিরুদ্ধে তদন্ত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে নীলফামারীর সৈয়দপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ভিকটিমের জবানবন্দী রেকর্ড করা হয়। জানা গেছে, ঐ নারী পুলিশ প্রশিক্ষণ শেষে গত ২০১৫ সালের ১২ নভেম্বর পুলিশ কনস্টেবল পদে নীলফামারী পুলিশ লাইনে যোগদান করেন। এরপর থেকেই নীলফামারী রিজার্ভ অফিস ইন্সপেক্টর (বর্তমানে বরিশাল ডিআইজি অফিসে ওসি তদন্ত হিসেবে কর্মরত) আবু নাসের রায়হান প্রায়ই তাকে উত্যক্ত করতেন এবং বিভিন্ন ধরনের কুপ্রস্তাব দিতেন।

ভিকটিম তার অধস্তন কর্মচারী হওয়ায় মুখ বুঝে তা সহ্য করে যাচ্ছিলেন। এদিকে আবু নাসের রায়হানের স্ত্রী নীলফামারী জজ কোর্টের পেশকার হওয়ায় তিনি কর্মস্থলে গেলে বিভিন্ন অজুহাতে ভিকটিমকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে পর্ণ ছবি দেখিয়ে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করার প্রস্তাব দিতেন। এরই একপর্যায়ে ২০১৬ সাল থেকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং তাদের এ সম্পর্কের কথা জানিয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে পূর্বের স্বামীকে তালাক প্রদানে বাধ্য করেন। স্বামীকে তালাক দেয়ার পরও দীর্ঘদিনেও বিয়ে না করায় চাপ দিলে এক দিন ইসলামিক বেশের একজন লোক ডেকে এনে সূরা-কালাম পড়ে বিয়ে করেন।

কিন্তু কাজির মাধ্যমে রেজিস্ট্রি করার কথা বললে, আবু রায়হান বলেন, আমরা তো আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বিয়ে করেছি, রেজিস্ট্রির প্রয়োজন নেই। এভাবে বিয়ের নামে দীর্ঘদিন থেকে ধর্ষণ করে আসছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে ভিকটিমের পরিবারের লোকজন রেজিস্ট্রি বিয়ের চাপ দিলে কালক্ষেপণ করতে থাকেন এবং উল্টো তাদের শারীরিক সম্পর্কের ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেন।

পরে কৌশল করে ভিকটিমকে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম পুলিশ লাইনে এবং নিজে বরিশাল ডিআইজি অফিসে বদলি হয়ে যান। এখন তিনি তাদের সম্পর্ক সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করছেন। এতে ভিকটিম চরম বিপাকে পড়ে উপায়ন্তর না পেয়ে প্রথমে বরিশাল ডিআইজি বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন এবং নিজ জেলা ঠাকুরগাঁয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে গত ২৮ সেপ্টেম্বর ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ১৮৮/২০২০ ইং।

এরই প্রেক্ষিতে বরিশাল ডিআইজি তদন্তের নির্দেশ দিলে মঙ্গলবার সৈয়দপুর সার্কেল কার্যালয়ে ভিকটিমকে ডেকে নিয়ে তার জবানবন্দী গ্রহণ করা হয়। ভিকটিমের জবানবন্দী গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অশোক কুমার পাল জানান, এ সংক্রান্ত অভিযোগের তদন্ত চলছে।

সুত্রঃ দৈনিক নবচেতনা

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




কপি পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। উত্তরের কন্ঠ[ডট]কম
themebazaruttorerka234
error: Content is protected !!